বরিশালে কয়েকজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ির কাছে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাংবাদিক মোল্লা ফারুক হাসান, মিজানুর রহমান, রনি তালুকদার, সুমন তালুকদার এর বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারী ব্যবসায়ী মামুন শিকদার গৌরনদী উপজেলার বেজগাতি সুইজ হাসপাতালের পাশে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী জানান, প্রবাস করে এসে এই ব্যবসায় সম্পৃক্ত হই ব্যবসার শুরুর কয়েকদিনেই বিগত আওয়ামিলিগ এর প্রভাব দেখিয়ে সাংবাদি মিজান এবং ফারুক আমাকে ভয় ভিতি প্রদর্শন করে অর্থনৈতিক সুবিধা গ্রহন করে। ব্যবসায়ী মামুন জানান আজ (১৪ডিসেম্বর) বিকাল থেকে তারা আমাকে বিভিন্ন ভাবে ভয় ভিতি প্রদর্শন করে এবং তাদের সাথে আরো কয়েকজন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন জাদের নাম আমার জানা নাই। মামুনের দাবী তার ফেরিওয়ালারা অসিক্ষিত তারা অনেক নিয়ম কানন জানে না হয়ত মাঝে মাঝে কোন কিছু কিনে নিয়ে আসতে পারে তবে আমি সেটা বারংবার নিষেধ করে দিয়েছি এবং আমি নিজেও অবৈধ মালামাল বিক্রি থেকে বিরত আছি। উপস্থিত সাংবাদিদেও মধ্যে কল দিলে দৈনিক নয়াদিগন্তের সাংবাদিক আরিফিন রিয়াদ দাবী করেন তার (মামুন) কাছে ২০২৫ সালের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বই পাওয়া গেছে মেজিস্ট্রেটকে কল করা হয়েছে তিনি আসছে।
গৌরনদী সহকারী কমিশনার ভুমি মো. মেহেদী হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সরকারি বই পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করার পরামর্শ প্রদান করেন।
মামুনের কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি কেন পূর্বে সাংবাদিকদের সাথে অর্থনৈতিক লেনদেন করেছেন তিনি (মামুন) জানায় তাকে নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ ছাপানো হবে এবং উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার ভয় দেখিয়ে হয়রানির হুমকি দেওয়া হয়। তিনি (মামুন) উল্লেখ করে সাংবাদিক মিজান তার ব্যবসায় অংসিদারিত্ব দাবী করেন বলেন আমাকে অংশিদার করলে তোমার ব্যবসায় কেহ আর বাধা বা সমস্যা করতে পারবে না।
ঘটনার পর তিনি পুরো বিষয়টি তুলে ধরে একটি ভিডিও বার্তা সাংবাদিকদের কাছে পাঠান, যেখানে তিনি নিজেকে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছেন বলে উল্লেখ করেন এবং নিরাপদে ব্যবসা করতে পারেন তার নিশ্চয়তা চান।
এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াসহ প্রেসক্লাবের কর্ম কর্তদাাদের কাছে দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে অভিযোগের মুখে থাকা সাংবাদিক মোল্লা ফারুককে ফোন করা হলে তিনি বলেন, এরকম কোন বিষয় হয় নি আমি অন্য সাংবাদিকদের সাথে গিয়েছিলাম তাকে পূর্বে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে বলা হলে তিনি এই দাবী অস্বিকার করেন। সাংবাদিক মিজানকে কল করা হলে তিনি জানায় মামুন এর বিরুদ্ধে অবৈধ মালামাল বিক্রির অভিযোগ ছিল আমি গিয়েছিলাম প্রশাসনের লোকজন এসে প্রমান সংগ্রহ করেছেন হয়ত মামলা হবে। মিজানকে পর্বে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান এটি মিথ্যা অপবাদ দেয়া হচ্ছে আমার সাথে তার কোন প্রকার লেনদেন হয় নি।
বরিশালে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ ভিডিও বার্তায় ঘটনাবলী তুলে ধরলেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী
