বরিশালের গৌরনদীতে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন শ্রেণির সরকারি পাঠ্যপুস্তক ভাঙারির দোকানে বিক্রির অভিযোগ

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়ক সংলগ্ন পৌর এলাকার সুন্দরদী মহল্লায় অবস্থিত সুইজ হাসপাতালের পাশে মামুন ভাঙারির দোকানে ভ্যানযোগে এসব বই বিক্রি করতে দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভ্যানটিতে পঞ্চম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণির সরকারি পাঠ্যপুস্তক ছিল। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে সাংবাদিকরা ভাঙারির দোকান সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় দোকান কর্তৃপক্ষ দাবি করেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই এসব বই বিক্রি করা হয়েছে, তাই আমরা কিনেছি।”

এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীম বলেন “২০২৫” সালের সরকারি পাঠ্যপুস্তক কেউ ভাঙারির দোকানে বিক্রি করে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অপরদিকে গৌরনদী সহকারী কমিশনার ভুমি মো. মেহেদী হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সত্যতা নিশ্চিত করে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করার পরামর্শ প্রদান করেন।

এবিষয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন বলেন-টেন্ডার ব্যতিত সরকারি বিনামূল্যের বই ক্রয়-বিক্রয়ের সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সরকারি বই কীভাবে ও কার মাধ্যমে বাজারে এলো—তা তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

ব্যবসয়ী মামুন দাবী করেন কিছুদিন পূর্বে কয়েকজন অপরিচিত লোক সাংবাদিক দাবী করে আমার প্রতিষ্ঠানে এসে অবৈধ মালামাল আছে দাবী করে ঘুষ দাবী করে। আমি ঘুষ প্রদানে অস্বিকার করলে তারাই চক্রান্ত করে আমাকে ফাসানোর চেষ্টা করছে। ম্যাজিষ্টেট স্যার আসছিলেন সে বলেছেন বই এর মেয়াদ শেষ, তবে কি ভাবে ক্রয় করেছে তা জাচাই করা হবে।