সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জের) প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বারদী বাজারের ইজারার সিডিউল উত্তোলন নিয়ে বিএনপির দু’ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপির ৯নং ওয়ার্ড সভাপতিসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছে।
৪ মার্চ (বুধবার) বিকালে বারদী বাজারের ইজারার সিডিউল তোলাকে কেন্দ্র করে বিএনপি দু’গ্রুপের মধ্যে মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে বারদী ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফের মাথা ফেটে যায়। এছাড়া বিএনপি নেতা দ্বীন ইসলাম, জসিম এবং জামায়াত নেতা মাওলানা ইব্রাহিম আদেলসহ আরও অনেকে আহত হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাওলানা ইব্রাহিম আদলের ছেলে মারজুক বলেন, আমরা সরকারিভাবে ইজারা নিয়ে বারদী বাজার থেকে সরকারি খাজনা আদায় করে থাকি। এ বছরও সরকারি ইজারার সময় হলে আমরা নিয়মমাফিক ইজারার জন্য সিডিউল উত্তোলন করি। কিন্তু আমাদের সিডিউল উত্তোলনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় সোনারগাঁ থানা বিএনপি’র ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক করিম রহমান ও তার ভাইয়েরা। তারা আমাদের কাছে ১০ লক্ষ টাকার চাঁদা দাবি করে এবং বলে বারদী
বাজারের ইজারা নিতে হলে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে। এ সময় তারা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমার বাবা ও চাচারা মারাত্মকভাবে জখম হয়। আমরা তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছি।
এ বিষয়ে করিম রহমানের বড় ভাই হালিম মেম্বার বলেন, আমাদের পূর্বপুরুষেরা বারদীর নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। আমাদের লোকজন যখন জানতে পারে মাওলানা ইব্রাহিম ও হানিফ ইজারা তুলছে, তখন আমরা তাদের বাধা দেই। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। কোনো মারামারি হয়নি। তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। আমরা কোনো চাঁদা দাবি করিনি।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার তদন্ত ওসি মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, এক পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরপর আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
