মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : অসহা দুঃস্থ মেহনতী খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাড়ানো ই যার জীবনের স্বার্থকতা যিনি একজন সফল ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক (দান বীর)এবং মানবতার দেওয়াল হিসেবে ইতিমধ্যে জেলার সর্বমহলে সুপরিচিত এবং সাধারন মানুষের হদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তিনি হলেন মানিকগঞ্জের মানিক হরিরামপুর উপজেলার ধূলশুড়া ইউনিয়নের কৃতি সন্তান ধূলশুড়া খান বাড়ির গর্ব ও অহংকার ডেবোনেয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক- আইয়ুব খান এফসিএ।
বিশেষ করে মসজিদ -মাদ্রাসা, এতিমখানা সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি সামাজিক উন্নয়মূলক কর্মকান্ডে আর্থিক সহযোগিতা করা এবং নিজেকে আত্ননিয়োজিত করেছেন। দূর্গমচরাঞ্চলের অসহায় দুঃস্থ মেহনতী খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভাঙ্গনকবলিত মানুষের পাশে বরাবরই দাড়িয়ে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। বিগত দিনে ধূলশুড়া পদ্মারপাড় সহ দূর্গমচরাঞ্চল আজিমনগর ইউনিয়নের পদ্মার ভাঙন রোধ ঠেকাতে সময়োপযোগী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। ডেবোনেয়ার গ্রুপ এবছর জেলার সর্বত্র জায়গায় শীতার্তদের মধ্যে অত্যন্ত অর্ধলক্ষ শীতবস্ত্র বিতরণ করে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। শুধু মানিকগঞ্জ জেলাতে তাদের কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ রাখেননি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ ও দোহার অঞ্চলের নিম্নআয়ের মানুষদের ও বিভিন্ন সময় আর্থিক সহায়তা করে থাকেন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরন দিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি উৎসাহিত করেন এবং উদ্ভুত করেন।
যে পিতা কন্যা বিয়ে দিতে আর্থিকভাবে অক্ষম( কন্যাদায়গ্রস্ত) এমন পরিবারের দায়িত্ব গ্রহন সর্বদা তিনি নিজেই নেন এবং পরবর্তীতে তাদের খোজ খবর রাখেন। স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়,তিনি নিজের কথা না ভেবে সর্বদা অসহায় দুঃস্থ মেহনতী খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রার মান কিভাবে উন্নত হবে এমন বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা আরো জানান, এমন মহৎ ব্যক্তি আমাদের মাঝে সারাজীবন বেচে থাকুক এবং এরা মূলত সমাজের আসল নায়ক। আমরা তার এবং তাদের পরিবারের মঙ্গল কামনা ও দীর্ঘায়ু এবং সুস্থতা কামনা করি।
