বাঁশখালীতে প্রশাসনের নাকের ডগায় বালু খেকোদের দাপট: উধাও বন-পাহাড়, নিরব ভূমিকায় কর্তৃপক্ষ!

বাঁশখালী(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বাঁশখালীতে ​দীর্ঘদিন ধরে একদল প্রভাবশালী ‘বালু খেকো’ চক্রের কবলে পড়ে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় বন, পাহাড় এবং কৃষিজমি। ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে নষ্ট হয়ে গেছে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক।

অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের নাকের ডগায় এই ধ্বংসযজ্ঞ চললেও রহস্যজনক কারণে নীরব ভূমিকা পালন করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। ​বিগত দুই মাস আগে অত্র এলাকায় একটি নামমাত্র অভিযান চালানো হলেও তা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযানে কোনো সরঞ্জাম জব্দ করা হয়নি, যা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযানের সময় রহস্যজনক কারণে অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হয়েছে।

​ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই মাস পার হতে না হতেই বালু খেকোরা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের ডামাডোলের মাঝে কীভাবে এই পাচার সিন্ডিকেট আবারও শক্তিশালী হয়ে উঠল, তা এখন বড় এক রহস্য। ​অভিযোগ উঠেছে, অভিযানের সময় স্থানীয় ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাচু মেম্বার কৌশলে মূল অপরাধস্থল আড়াল করেছেন। তিনি প্রশাসনকে ৩টি ছোট বালু মহাল দেখালেও সবচেয়ে বড় এবং অবৈধ বালু মহাল— ‘নাদেইরগ্গার মুখ’ সম্পর্কে কোনো তথ্য দেননি। মূলত ওই মহালটি আড়াল করতেই তিনি বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন। ​স্থানীয় পরিবেশ এবং অবকাঠামো রক্ষায় বালু খেকোদের এই তান্ডব বন্ধ করা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় এলাকাটি বড় ধরনের পরিবেশগত বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। ​সব সত্য ও সঠিক তথ্য উদঘাটনের মাধ্যমে খুব শীঘ্রই এই সিন্ডিকেটের নেপথ্যের কারিগরদের নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

Leave a Reply

error: Content is protected !!