ষ্টাফ রিপোর্টার : মোঃ ইয়াদুল ইসলাম
পারিবারিক জমি ও অর্থ সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্বর্ণালংকার লুট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে গৌরনদী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোসাঃ ফাতেমা বেগম একই বাড়িতে বসবাসরত স্বজনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে তাঁর ভাসুর, ভাসুরের সহযোগী (জাল) এবং ভাসুরের কন্যা রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা ও টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১৩ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক তাঁদের জায়গায় সেচের জন্য মেশিন বসাতে যান। বিষয়টি দেখে ফাতেমা বেগমের স্বামী মোঃ আমির হোসেন শান্তভাবে কারণ জানতে চাইলে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।
একপর্যায়ে অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত ঘর থেকে দা বের করে হত্যার উদ্দেশ্যে মোঃ আমির হোসেনের মাথায় কোপ দেন। এতে তাঁর মাথার ডান পাশে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। আহত আমির হোসেনের চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা সবাই মিলে তাঁদের ওপর এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে পরিবারের একাধিক সদস্য শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন।
এছাড়াও মারধরের সময় অভিযুক্তরা আহত মোঃ আমির হোসেনের হাতে থাকা প্রায় আট আনা ওজনের একটি স্বর্ণের আংটি এবং বারো আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই অভিযুক্তরা মামলা করলে পুরো পরিবারকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করে ভুক্তভোগীরা থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আহত আমির হোসেনকে এলাকাবাসী উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয় হেমায়েত এর সাথে কথা বলে যানা যায় তার স্ত্রী ও আহত সে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এ বিষয়ে গৌরনদী থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
