• E-paper
  • English Version
  • শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন

আবেদনের পৌনে চার বছর পর মিলল পাসপোর্ট

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৫৫ বার পঠিত

আবেদনের পৌনে চার বছর পর পাসপোর্ট হাতে পেলেন শফিকুল ইসলাম। দীর্ঘ এই সময় তাকে যশোর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দিনের পর দিন ঘুরতে হয়েছে। এভাবে সময় ক্ষেপণে হয়রান শফিকুল যখন সম্প্রতি লিখিতভাবে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিস ঢাকাসহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করেন তখন তাকে ডেকে নিয়ে কাঙ্খিত পাসপোর্ট তুলে দিলেন যশোর পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মো.সালাহ উদ্দিন। রোববার দুপুরে তার হাতে পাসপোর্ট তুলে দেয়া হয়।
যশোরের শার্শা উপজেলার গোগা গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে শফিকুল ইসলাম ২০১৬ সালের ১৮ জানুয়ারি পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন। তিনি দৈনিক লোকসমাজের কাছে অভিযোগ করেন, তাকে পাসপোর্ট দেওয়ার দিন জানানো হয় একই বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি। নির্ধারিত দিনে তিনি পাসপোর্ট আনতে গেলে তার হাতে পাসপোর্ট দেয়া হয়। কিন্তু তিনি যখন পাসপোর্ট নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের কাউন্টার থেকে বেরিয়ে আসছিলেন ঠিক তখন আবার সেটি তার কাছ থেকে নিয়ে নেয়া হয়। এ সময় তাকে বলা হয়, ২১ ফেব্রুয়ারি এসে পাসপোর্ট নিয়ে যাওয়ার জন্য। কিন্তু ওই দিন তিনি এসে দেখেন, পাসপোর্ট অফিস বন্ধ। এরপর থেকে এবছরের ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাকে শুধু দিনই দেয়া হয়েছে,কিন্তু পাসপোর্ট দেয়া হয়নি।
২৮ সেপ্টেম্বর দৈনিক লোকসমাজের ফটো সাংবাদিক হানিফ ডাকুয়ার মাধ্যমে শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে অভিযোগ করেন ঢাকায় ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিস,খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ও যশোরে জেলা প্রশাসকের দফতরে। অভিযোগের অনুলিপি পাঠানো হয় যশোর পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচলকের কাছেও। এরপর যশোর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে খবর দেয়া হয় শফিকুলকে পাসপোর্ট নিয়ে যাাওয়ার জন্য। আবেদনের তিন বছর নয় মাস পর রোববার (৬ অক্টোবর) দুপুরে শফিকুলের হাতে কাঙ্খিত পাসপোর্টটি তুলে দেন যশোর অফিসের উপ-পরিচালক।
উপ-পরিচালক সালাহ উদ্দিন বলেন, তিনি ছয় মাস আগে যশোরে এসেছেন। শফিকুলের পাসপোর্টের বিষয়টি তিনি জানতেন না। পরে বিষয়টি জেনে খোঁজ নিয়ে দেখেন, শফিকুলের পাসপোর্টটি মিসিং হয়েছে। আগের কর্মকর্তারা কেন এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেননি তা তিনি জানেন না। তবে তিনি নিজে উদ্যোগী হয়ে সমস্যার সমাধান করলেন। শফিকুলকে তার পাসপোর্টটি দিতে পেরে তিনিও খুশি হয়েছেন। পরে উপ-পরিচালক সালাহ উদ্দিন তার অফিস থেকে নিচতলায় গিয়ে শফিকুল ইসলামের অসুস্থ বাবা আবুল হোসেনের খোঁজখবর নেন।
শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি পাসপোর্ট পেয়ে খুশি হয়েছেন। তার বাবা শ্বাসকষ্ট জনিত কারণে গুরুতর অসুস্থ। এখন তাকে চিকিৎসা করানোর জন্য তিনি তাকে ভারতে নিয়ে যেতে পারবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..